এদিকে এক ভিডিও বার্তায় সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আজকে এনসিপির শীর্ষ নেতারা সিলেট সফর করছেন। এর আগে আমরা দেখেছি হবিগঞ্জে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। তাই আমাদের দলের প্রতিটি উপজেলার নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, রাজনৈতিক সহাবস্থান সিলেটে সব সময়ই ছিল। ফ্যাসিস্টের আমলে তার ব্যত্যয় ঘটেছিল। বর্তমান জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হলো- প্রতিটি দল স্বাধীনভাবে তাদের দল পরিচালনা করবে। কাউকে বাধা দেওয়া যাবে না। এই আলোকে জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিটি ইউনিটের প্রতি আহবান থাকবে- এনসিপি তাদের বিভিন্ন উপজেলায় সভা করবে এমনকি যদি কোথাও বিএনপির কোনো নেতাকে উদ্দেশ করে খারাপ বক্তব্যও দেয় তবুও উত্তেজিত হওয়া যাবে না। আমরা এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স। আশা করি এ নির্দেশনা সিলেট জেলার সব পর্যায়ের নেতাকর্মী মানবেন। এনসিপি যাতে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি শেষ করতে পারে তাতে সব ধরনের সহযোগিতা আমরা করব।
এমন ভিডিও বার্তার পরও হামলা হওয়ার কারণ জানতে চাইলে কাইয়ুম চৌধুরী যুগান্তরকে জানান, ইতোমধ্যেই স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত হোক তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের কারো বিরুদ্ধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এন.এম.আই.এম নিউজ