মামুলি লক্ষ্যে নেমে শুরুতে দুই ওপেনার ইমাম-উল-হক ও আজান আওয়াইসকে হারায় পাকিস্তান। তবে এরপর আবদুল্লাহ শফিক ও অধিনায়ক বাবর আজম দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। বাবর স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যানকে টানা দুটি ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন।
এই জয় আব্দুল্লাহ শফিকের জন্য বিশেষ কিছু। তিনি মূল দলে ছিলেন না। চোটের কারণে শান মাসুদের বদলে গত সপ্তাহে দলে যোগ দেন। প্রথম ইনিংসে তার অপরাজিত ১৬০ রানের ইনিংসেই পাকিস্তান করে ৩৮৭ রান।
পাকিস্তানের এই জয়ের নায়ক অবশ্য অন্য একজন। সাজিদ খান দুই ইনিংসে উইকেট নিয়েছেন ৪টি করে। দ্বিতীয় ইনিংসে আলী উসমানকে সঙ্গে নিয়ে ধসিয়ে দিয়েছেন উইন্ডিজকে। গড়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের সিরিজ ড্র করার পথটা।
এই জয়ের ফল পাকিস্তান এক দীর্ঘ খরা কাটাল। ত্রিনিদাদের এই মাঠে পাকিস্তান নিজেদের সবশেষ ম্যাচটা জিতেছিল সেই ১৯৭৭ সালে। এরপর এই মাঠে ২ ম্যাচ খেললেও জয় পায়নি আর। ৪৯ বছর পর ২০২৬ সালে এসে সেই খরা কাটাল বাবর আজমের দল।
এন.এম.আই.এম নিউজ